বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

জ্বলল আগুন নিভল প্রাণ ফিরল হরতাল

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সরকারবিরোধী বিএনপির শক্তির মহড়া শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় রূপ নিল। বহুদিন পর মানুষ আবার দেখল প্রাণঘাতী সহিংসতা। গতকাল শনিবার বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রাজধানীর কাকরাইল, বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও। দুপুর থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টার পরও পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ চলতে থাকে। প্রধান সড়ক থেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে অলিগলিতে।

পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ে বিএনপির মহাসমাবেশ পন্ড হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনের মহাসমাবেশে সারা দেশে থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হন। সমাবেশ চলাকালে কাকরাইলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। পরে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে অন্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন।

বিএনপির পাশে আজ রবিবার থেকে আর কেউ থাকবে না বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব পশ্চিমারা নাকি উৎসাহ দিচ্ছে? কিন্তু কাল থেকে কাউকে আর পাবেন না। দুর্বলের পক্ষে কেউ থাকে না। এত দুর্বল! এখন দেখি কে আপনাদের পেছনে দাঁড়ায়?’ গতকাল শনিবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘শান্তি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়ে জামায়াত পুলিশকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল। পুলিশ অনুমতি দেয়নি। কিন্তু জামায়াত তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। তাদের মহাসমাবেশ করতে দেবে না বলে পুলিশ সাফ জানিয়ে দেয়। কিন্তু গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মতিঝিল শাপলা চত্বরে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তারা আরামবাগে জড়ো হন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মতিঝিল কালভার্ট রোড দিয়ে জামায়াতের আরও নেতাকর্মী ব্যারিকেড সরিয়ে পুলিশের সামনে দিয়ে আরামবাগে যায়। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও পরে সরে আসে। দুপুর ১টার দিকে রাস্তায় নামাজ আদায় করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দেড়টার দিকে মহাসমাবেশের কার্যক্রম শুরু করেন। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তারা সমাবেশ শেষ করে মিছিল করতে করতে শাহজাহানপুর হয়ে চলে যান।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com